সাধারণত ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত ছোট আকারের হয়, এদের সাইজ ০.২ - ৫ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। 

এরা একসাথে অনেকগুলো কলোনি করে বা দল বেঁধে থাকতে পারে । এরা আণুবীক্ষণিক অর্থাৎ এদের দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।

তবে, বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান ম্যানগ্রোভ জলাভূমিতে এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন যেটিকে বিশ্বের বৃহত্তম আবিষ্কৃত ব্যাকটেরিয়া বলে মনে করা হয়।

আবিষ্কৃত ব্যাকটেরিয়াটি এতটাই বড় যে এটি খালি চোখে দেখার জন্য কোনও বিশেষ সরঞ্জাম যেমন মাইক্রোস্কোপের প্রয়োজন হয় না।

এই ব্যাকটেরিয়াগুলো গড়ে এক ইঞ্চির এক-তৃতীয়াংশ (0.9 সেন্টিমিটার) আকারের, এবং এটি বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়ার চেয়ে প্রায় 5,000 গুণ বড়।

এই ব্যাকটেরিয়াটির নাম রাখা হয়েছে থিওমারগারিটা ম্যাগনিফিকা,মহান সালফার মুক্তা" এবং ব্যাকটেরিয়াটির প্রথম নমুনাটি ফ্রেঞ্চ...

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং গুয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহ-লেখক এবং জীববিজ্ঞানী অলিভিয়ার গ্রোস আবিষ্কার করেছেন।

অলিভিয়ার গ্রোস ২০০৯ সালে ব্যাকটেরিয়াটির প্রথম নমুনা আবিষ্কার করেন। দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান সাগরের গুয়াডেলুপ দ্বীপে ডুবে যাওয়া ম্যানগ্রোভের পাতায় ব্যাকটেরিয়াটি পাওয়া যায়।

এর বড় আকারের কারণে, তখন (২০০৯ সালে) বোঝা যায়নি যে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া। পরবর্তীকালে জেনেটিক বিশ্লেষণে জীবটিকে একটি একক ব্যাকটেরিয়া কোষ হিসাবে প্রকাশ করা হয়।

এই আবিষ্কার আমাদের ভাবায় যে এই বিশাল পৃথিবীতে আর কত ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে? বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের মোট ব্যাকটেরিয়ার ১ শতাংশও আমরা জানি না।